নিউজ

এই নিয়ে এক মাসের মধ্যে তিনবার, পাকিস্তানে ফের ভেঙে তছনছ করা হলো হিন্দু মন্দির!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-ফের মন্দির ভাঙা হল পাকিস্তানে। এই নিয়ে ৩ বার একই ঘটনা ঘটল। এক প্রাচীন হিন্দু মন্দির ভাঙা হল করাচিতে।পাকিস্তানের মতন দেশ থেকে আর কি বা আশা করা যায়! সাম্প্রদায়িক অবমাননা এখানে দৈনন্দিন ঘটনা। ইমরান খানের রাজত্ব এ কোন পথে চলেছে পাকিস্তান?

জানা যাচ্ছে শুধু মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়নি,দেবদেবীর মূর্তিতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।অভিযুক্তদের এখনও কোনো রকম খবর পাওয়া যায়নি।জানা যায়নি। অক্টোবর মাসেও নবরাত্রি চলাকালীন অষ্টমীর দিন সিন্ধ প্রদেশের একটি মন্দিরে ঢুকে সেখানে দেবী হিংলাজের মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়।

অষ্টমী তিথি উপলক্ষে সিন্ধ প্রদেশের থারপারকার জেলার নাগরপারকার এলাকার মোয়া গ্রামে অবস্থিত হিংলাজ দেবীর মন্দিরে জড়ো হয়েছিলেন স্থানীয় মানুষজন। আচমকাই কিছু দু-ষ্কৃ-তী মধ্যে ঢুকে দেবের মূর্তি এবং বাহন ভেঙে দেয়। আবারো ঘটেছে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়া মাত্রই স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এখনো অব্দি পুলিশ কোন অ-ভিযু-ক্তকে গ্রে-ফ-তার করতে পারেনি।

আবার ১২ অক্টোবর সিন্ধ প্রদেশের বাদিন এলাকায় শ্রীরাম মন্দির ভেঙে তছনছ করা হয়। এই ঘটনার উল্লেখ করে নিজের ফেসবুক পোস্টে কড়া সমালোচনা করেন পাক সমাজকর্মী গুলজার।গুলজার আরো বলেন,গুলজার বলেন সিন্ধ প্রদেশে আগে যেখানে ৪২৮টি মন্দির ছিল, সেখানে পাক প্রশাসনের বদান্যতায় ২০টি মন্দিরে এসে ঠেকেছে। রীতিমতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পাকিস্তানে। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

সংখ্যালঘুদের ওপর অ-ত্যা-চা-র ও মানবাধিকার ল-ঙ্ঘ-নে-র ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। দিন কয়েক আগেও গিলগিট বালটিস্তান এলাকা মানবাধিকার ল-ঙ্ঘ-নে-র ঘটনায় উ-ত্তা-ল হয়ে ওঠে। মানবাধিকার -ঙ্ঘ-নে-র ক্ষেত্রে যোগ্য উত্তরাধিকার বহন করে চলেছে পাকিস্তান।

এদিনের ঘটনাটি পাকিস্তানের সাংবাদিক নায়লা ইনায়েত টুইট করেন, এবং ছবিও পোস্ট করেন।
দেখা যাক পাকিস্তানি প্রশাসন এই অবমাননার কি ব্যবস্থা নেয় শেষমেষ!

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button