নিউজ

সকলের চোখে ধুলো দিয়ে এবার মসজিদে ঢুকে চললো হনুমান চালিশা পাঠ, চরমে উঠল ধর্মীয় ভাবাবেগ!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-ধর্মীয় ভাবাবেগে আমাদের সবথেকে বেশি আলোড়িত করে। ধর্ম হল এমন এক ধরনের হা-তি-য়ার বলাবাহুল্য ধারালো হা-তি-য়ার যার মধ্যে প্রাণ দিয়েছেন বহু মানুষ জন । কিন্তু ধর্ম কখনোই সেটি শেখায়নি। ধর্ম যা আমাদের ধারণ করতে শেখায়। ধর্ম কখনো অন্য কোন সম্প্রদায়ের মানুষকে হ-ত্যা করতে বা আ-ঘা-ত আনতে কোনদিনই শেখায়নি।

যে কথা বাইবেলে লেখা আছে সে কথা লেখা আছে কোরআনে আবার ঠিক একই বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে ভগবত গীতা তে । অর্থাৎ বক্তব্য এক কিন্তু বলার ধরণ আলাদা এই ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম ঘটনা ঘটেছে দেশজুড়ে। ঠিক সেরকমই আর একবার ঘটল উত্তরপ্রদেশে ।

প্রসঙ্গত,  গত ২৯ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ মথুরার নন্দগাঁও এলাকার নন্দ বাবা মন্দিরে বিনা অনুমতিতে নমাজ পড়েন ফইজল খান ও চাঁদ মহম্মদ নামে দুই ব্যক্তি।সেই মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন অলোক রতন ও নীলেশ গুপ্তা। আর এরপরই মন্দির মসজিদ নিয়ে ওঠে  বিতর্কের ঝড়। এরপর চারজনের নামে থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। এবং মূলত এই ঘটনার পাল্টা আ-ক্র-ম-ণ নিতে উল্টো কাজ করলো হিন্দু ধর্মের মানুষেরা ।

ধর্মীয়ভাবে পাল্টা আ-ক্র-ম-ণ! ঘটনায় জেরে ফের ধ-র্মী-য় উত্তেজনা। উত্তরপ্রদেশে মথুরায় ইদগাতে হনুমান চালিশা পাঠ করার অভি-যো-গ চার জন এর বি-রু-দ্ধে । অভিযুক্ত চার যুবকের নাম সৌরভ লাম্বারদর, কানহা, রাঘব এবং কৃষ্ণ ঠাকুর।  এই চার যুবক মথুরার মসজিদে ঢুকে হনুমান চালিশা পাঠ করে বিনা অনুমতিতে। আর তাতেই ছড়ায় উত্তেজনা ।এবং সেই উত্তেজনা দরুন সেই চারজন যুবককে গ্রে-ফ-তা-র করে মথুরার পুলিশ ।

এই ধরনের ঘটনা একান্ত কাম্য নয় আজকালকার দিনে। তবুও মানুষ অন্ধের মতন ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে একের পর এক দূরত্ব সৃষ্টি করছে মানুষের সাথে মানুষের। এ বিষয়ে মথুরা পুলিশ সুপার শিরীশ চন্দ্র জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার মার-ফ-ত জানা যায়, কয়েক জন যুবক গোবর্ধন এলাকায় ইদগাতে ঢুকে হনুমান চালিশা পাঠ করেছে। কিন্তু তাঁদের দাবি, শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখতেই এই কাজ করেছে তাঁরা। যদি এখনও পর্যন্ত সেই চারজনের বিরুদ্ধে কোনো এফআইআর দা-য়ে-র করা হয়নি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button