নিউজ

কালীপুজোর আগে কি চলবে লোকাল ট্রেন? কী বলছে রেল কর্তৃপক্ষ? রইলো বিস্তারিত

নিজস্ব প্রতিবেদন :-ধীরে ধীরে খুলে গেছে সমস্তকিছু কিন্তু কবে চালু হবে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ? এই প্রশ্নের উত্তর এখনো অধরা । বেড়েই চলেছে জল্পনা। দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি যাতে বড় জমায়েত না হয় এবং বাইরের রাজ্য থেকে যাতে সংক্র-ম-ণ ছড়িয়ে না পড়ে এ রাজ্যে সেজন্য লোকাল ট্রেন পরিষেবা বা ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত সরকার ।

কিন্তু দেশে আনলো পর্ব শুরু হতে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ব্যস্ততম জনজীবন স।বকিছুই ধীরে ধীরে খুলতে চলেছে কিন্তু খোলেনি এখনো পর্যন্ত লোকাল ট্রেন ।যার ফলে ব্যাপকভাবে ভোগান্তির শি-কা-র হচ্ছে সাধারন মানুষেরা।এ রাজ্যের প্রচুর সংখ্যক মানুষ লোকাল ট্রেনের ওপর নির্ভরশীল । তাছাড়া বেশ কিছু মানুষের জীবন নির্ভর করে লোকাল ট্রেনের ওপর। তাই লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকাতে সেই সমস্ত মানুষগুলি রীতিমতো চিন্তার মধ্যে পড়ে আছে।

কবে লোকাল ট্রেন খুলবে ? চালু হবে তাদের ব্যবসা ? সে প্রশ্ন ঘুরছে সারাক্ষণ মাথায়। তবে এ ব্যাপারে বেশ কিছুদিন আগে পূর্ব রেল ভারতীয় রেল কে চিঠি দিয়ে পুজোর সময় তেরোটি স্পেশাল ট্রেন চালানোর আর্জি জানান ইতিমধ্যে কলকাতা মেট্রো পরিষেবা চালু হয়েছে তবুও যাত্রীসংখ্যা সাথে ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা তুলনা করা বোকামির কাজ হবে।

ইতিমধ্যে ভারতীয় রেল লোকাল ট্রেন চালু করার নিয়ে একটি চিঠি দিয়েছে রাজ্য সরকারকে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে তাদের লোকাল ট্রেন চালু করতে কোন অসুবিধা নেই। তবে এমন অনেক বেশ কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে স্টেশনে প্রবেশ করা একাধিক রাস্তা। সে ক্ষেত্রে সমস্ত নিয়ম মেনে যাত্রীদেরকে প্রবেশ করানো মোটেও সহজ কাজ হবেনা বলে জানা গিয়েছে ।তবে ওই চিঠি অনুসারে যেটি জানা গেছে সেটি হলো খুব তাড়াতাড়ি লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হতে চলেছে রাজ্যজুড়ে ভোগান্তির ঘটতে চলেছে অবসান।

প্রাক্তন রেল আধিকারিক সুভাষ রঞ্জন ঠাকুরের মতে, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার বলছেন রাজ্য সরকার চাইলে লোকাল  চালানোর কথা ভাবা যাবে। তারপর দূরত্ববিধি। যদি ট্রেনে সবাইকে ওঠার অনুমতি দেওয়া হয় তবে কোনোমতেই তা মেনে চলা সম্ভব নয়। কম ট্রেন চললে বাজারের মত ভিড়ে ঠাসাঠাসি হবে। দূরত্ববিধি শিকেয় উঠবে। রেল কর্তৃপক্ষের এমন পরিকাঠামো নেই যে দূরত্ববিধি মানা সম্ভব হবে। তবে মাস্ক পরা আবশ্যিক করতে পারে।

এমনিতেই বহু লোক মাস্ক পরেন না বা পরলেও থুতনিতে নামিয়ে রেখে দেন।ট্রেনেও তাই হবে। তাই প্রথমে বিশেষ পাস দেওয়ার ব্যবস্থা করা দরকার । রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের কর্মচারীরা, সরকারী ও বেসরকারী স্বাস্থ্যকর্মীরা, পুরসভা , ব্যাঙ্ক ,সাংবাদিক ও অন্যান্য জরুরি কর্মীদের পরিচয়পত্র দেখালে তবেই ট্রেনে  উড়তে দেওয়া হবে।

তাঁর কথায়, “কারা জরুরি কর্মী সেটা ও কত ট্রেন কীভাবে চলবে ঠিক করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষ ও রাজ্য সরকারের মিটিং করা দরকার। রেল কর্তৃপক্ষ যদি আইন শৃঙ্খলার ব্যাপারে কোন সাহায্য চান সেটাও আলোচনা হোক।সবগুলো বিষয়ে সুষ্ঠু আলোচনা ছাড়াই ট্রেন চালানো ঠিক হবে বলে মনে করি না। ’’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button