নিউজ

“মা ভাইকে ছেড়ে একা মাঠে কেনো ঘাস আনতে গেছিলেন তরুণী?” হাথরসকাণ্ডে ধ’র্ষণের কারণে এবার নি’র্যাতিতাকেই দায়ী করলেন বিজেপি নেতা!

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন :-উত্তরপ্রদেশের হাথ্রাস এর তরুনীর গণধ-র্ষ-ণ এবং মামলা কে সামনে রেখে একের পর এক প্রতিবাদের মশাল জ্বালিয়েছে বিরোধী দলগুলি । সেই তালিকায় যেমন আছে তৃণমূল, কংগ্রেস সিপিএম, তার সাথে সাথে আছে আমজনতারা । রীতিমতো উত্তাল গোটা দেশ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে । কিন্তু যদি এমনটি ঘটতে দেখা যায় যে সমস্ত দোষ যদি নির্যাতিতার এবং নির্যাতিতার পরিবারের উপর দেওয়া যায় তাহলে কি একই প্রতিবাদ থাকবে নাকি আরও দ্বিগুন ভাবে ত্বরান্বিত হবে প্রতিবাদের আগুন ? প্রশ্ন রইলো আপনাদের কাছে।

Advertisement

সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের হাথ্রাস এর ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন গোটা দেশ উত্তাল তখনই উত্তর প্রদেশ বিধায়ক থেকে নেতা করে বসলেন এমন কিছু মন্তব্য যাকে ঘিরে সৃষ্টি হল ফের বিতর্ক। চাপের মুখে পড়ল আরো একবার উত্তরপ্রদেশ সরকার। ” মা-ভাইকে ছেড়ে অন্য জায়গায় ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন কেন ওই তরুণী “- এরূপ একটি প্রশ্ন করেন উত্তর প্রদেশের বিজেপির বিধায়ক রঞ্জিত বাহাদুর শ্রীবাস্তব। শুধু মাত্র এখানেই থেমে থাকেননি তিনি বলেছেন যে “সরকারকে আমি অনুরোধ করব যেন নির্যাতিতার পরিবার কে কোনরূপ সাহায্য না করে। কিসের ২৫ লক্ষ টাকা? সেটা জনগণের টাকা । ”

Advertisement

এবার আসি দ্বিতীয় ঘটনায়। আগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো ধীরে ধীরে যখন বাড়ছে ক্ষো-ভ বিরোধী দলগুলির ঠিক সেরকম সময়ে আরো একবার বেফাঁ-স মন্তব্য করে বসলেন বিজেপির নেতা সুরেন্দ্র সিং । তিনি বললেন যে ” বাড়ির মেয়েকে সংস্কার শেখানো দায়িত্ব তার মা-বাবার । ” অর্থাৎ তিনি পরোক্ষভাবে বলতে চাইলেন যে এই ধ-র্ষ-ণের জন্য নির্যাতিতার পরিবার এবং নির্যাতিতা এর দোষ ছিল । এতে বেধে যায় গন্ডগোল ।বড়োসড়ো চাপের মুখে ফের আরও একবার পড়ল গেরুয়া শিবির । ফের বড়োসড়ো প্রশ্ন উঠেছে বিজেপির উপর।

Advertisement

এ প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন যে বিজেপি দলটাই কুরুচিসম্পন্ন মানসিকতার। প্রধানমন্ত্রীর সবকা সাথ সবকা বিকাশ এখন আর মানায় না। পাল্টে ফেলুক সেই স্লোগান ” । এর পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের ফিরহাদ হাকিম বলেছেন যে ” মানুষজন দেখছে বিজেপির চরিত্র কিরকম কিরকম মানসিকতা । একটা জলজ্যা-ন্ত তরুণীর ধর্ষণ এবং হ-ত্যা-কা-ণ্ডের পর বিজেপি তার চরিত্রের প্রশ্ন তোলে ? ”

Advertisement

যদিও রাজ্য বিজেপি সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু গেয়েছেন উল্টো সুর । তিনি মোটেও সমর্থন করেননি তার গেরুয়া শিবিরের এই বক্তব্যকে। প্রকাশ্যে তিনি বলেছেন এ বক্তব্য সমালোচনার বক্তব্য । সমর্থন যোগ্য নয়। তবে বিজেপি বিধায়ক এবং নেতার এই বক্তব্য আগামী দিনে আরও বড় বিপদ ডেকে আনতে চলেছে গেরুয়া শিবিরে এমনটা মনে করছে অনেকে ।

Advertisement

Advertisement

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button