টেক নিউজনিউজ

সরকারি কড়া নির্দেশে এই এপ্রিল থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে এই স্মার্টফোনগু’লি, চাপে পড়তে পারেন কয়েক লক্ষ গ্রাহক!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-স্বাধীনতা সত্তর দশক পেরিয়ে গেছি আমরা । এর মধ্যে কেটে গেছে বহু সময় এবং এই সময়ের সাথে সাথে ক্রমশ পাল্টে ফেলেছি আমরা আমাদের জীবনযাত্রাকে। রীতিমতো প্রতিদিনই উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তির হাত ধরে উন্নত হচ্ছে আমাদের লাইফ স্টাইল । উন্নত প্রযুক্তির যুগে অন্যতম একটি ধারালো অ-স্ত্র হলো স্মার্টফোন বা মুঠোফোন যা প্রত্যেকের বাড়িতে দেখা যায় কিন্তু এই স্মার্টফোন আমাদের শরীরে ডেকে আনতে পারে অনেক ক্ষ-তি তা আমরা হয়তো আগেও জেনেছি।

যেহেতু স্মার্টফোন বা মুঠোফোনের মাধ্যমে নিমিষের মধ্যে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে মানুষের সাথে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় তাই সময়ের সাথে সাথে এটি অধিক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিশ্ববাজারে । তার পাশাপাশি যখন প্রথম আবিষ্কার হয় তখন সেটি আকৃতি এবং আয়তন যথেষ্ট বড় ছিল ফলে সেটিকে বহনযোগ্য করার মতো অবস্থায় ছিলো না । কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয় বাজারে ছোট আকৃতির এসেছে মুঠোফোন।

তবে একথা ঠিক যে বাজারে যে সমস্ত স্মার্টফোনগুলো রয়েছে তার মধ্যে অধিকাংশই অবৈধ অর্থাৎ বেআইনিভাবে কেনা যা আপনি টেরও পাবেন না । একটা সমীক্ষা বলছে যে বাজার মধ্যে থাকা স্মার্ট ফোন গুলির মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ স্মার্টফোন বেআইনি । এবার সেই বেআইনি স্মার্টফোনগুলো কে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করার জন্য উদ্যোগ নিল বিটিআরসি।

বিটিআরসি ২০১২ সালে প্রথম অবৈধ মুঠোফোন বন্ধের উদ্যোগ নেয়। তবে নানা কারণে তা এতদিন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এ বছর দরপত্র আহ্বান ও একটি কোম্পানিকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে পরিকল্পনাটি বাস্তব রূপ পাচ্ছে। বিটিআরসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সিনেসিস আইটিকে জামানত জমা দিয়ে চুক্তি করতে হবে ২ ডিসেম্বরের মধ্যে।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৯ সালের আগস্টের আগে কেনা নেটওয়ার্কে সচল থাকা মুঠোফোন বন্ধ করা হবে না। আগস্টের পরে কেনা অ-বৈ-ধ ফোনের বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। এ ক্ষেত্রে নিবন্ধনের একটা সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

দেশে যেসব ব্রান্ড মুঠোফোনের কারখানা করেছে, তাদের সঙ্গে প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলো পেরে উঠছে না। দেশজুড়ে বহু দোকানে নির্ধারিত পরিবেশকের বাইরে তুলনামূলক কম দামে স্মার্টফোন বিক্রি হয়। বিভিন্ন সময় এসব ফোন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে।

এনইআইআর চালু হলে অবৈধভাবে আনা মুঠোফোন নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সিনেসিস আইটির মহাব্যবস্থাপক (আইটি অপারেশন) আমিনুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিটিআরসির নোটিফিকেশন অ্যাওয়ার্ড অনুযায়ী কাজ করছি।’ অতএব আগামী এপ্রিল মাসে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের অবৈধ স্মার্ট ফোন গুলি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button