নিউজ

ফের এক জনদরদী চিকিৎসককে হারালো রাজ্য! করোনার সাথে লড়ে বছর 46 এই প্রয়াত চিকিৎসক দেবাশিস সামন্ত!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-করোনা কেড়ে নিয়েছে বহু কিংবদন্তিদের। রীতিমতো পরিবার হারা করেছে মানুষজনদের। কোথাও আবার কেড়ে নিয়েছে মায়ের কোলে সন্তানকে। কিন্তু যারা প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে জানি অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর্মী ,ডাক্তার পুলিশকর্মী এদের কেড়ে নেওয়া আলাদা রকম শো-কে-র সৃষ্টি করে।.

কারণ জীবনকে বাজি রেখে করোনার মতো ভ-য়া-বহ পরিস্থিতির সময় এরা লড়াই করে গেছে প্রথম সারিতে। এখনো করে চলেছেন । ঠিক সেরকমই চিকিৎসা জগৎ থেকে হারিয়ে গেলেন কিংবদন্তি চিকিৎসক। নাম দেবাশীষ সামন্ত ।আর জি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছিলেন দেবাশিস বাবু । বেশ কিছুদিন আগে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি এবং ককঠি লোকসভা তে শুভেন্দু অধিকারীর বিপক্ষে ভোটে দাঁড়ান ।

ভোটে হেরে গেলেও কাজ চালিয়ে গেছেন তিনি পরবর্তীকালে । এর পাশাপাশি তার আরজিকল মেডিকেল কলেজ এর ছাত্রজীবন থেকেই বেশ জনপ্রিয় ছিলেন তিনি চিকিৎসক মহলের সকলের কাছে । পূর্ব মেদিনীপুরে অর্থোপেডিক সার্জন হিসাবে তাঁর যথেষ্টই নাম ছিল। গোটা লকডাউনের সময় তিনি সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা চালিয়ে যান। এরপরই মাস খানেক আগে তিনি করোনা আক্রান্ত হন।

ইতিমধ্যে রাজ্যে নোবেল কোরোনা ভাইরাসে মৃত্যু ঘটেছে ৪২ জন চিকিৎসকের। এবার তাদের তালিকায় নাম লেখালেন দেবাশীষ সামন্ত। রীতিমতো চিকিৎসক মহলে এসেছে শোকের ছায়া । ডক্টরস ফর পেশেন্টস বা ডোপার পক্ষ থেকে চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, ‘এই শোক প্রকাশের ভাষা নেই।

একে একে অনেক করোনা যোদ্ধা চিকিৎসকই আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। এদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য। চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের আরো অনেক সতর্ক হয়ে কাজ করতে হবে। চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা আ-ক্রা-ন্ত হলে তাদের জন্য সরকারি,বেসরকারি হাসপাতালে আলাদা বিশেষ বেডের ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে। চিকিৎসকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা উচিত সরকারের।’

সপ্তাহ খানেক ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হতে থাকে। বুধবার ভোর রাতে চিকিৎসকদের সব চেষ্টাকে ব্যর্থ করে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃ-ত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৬। তার এই আকস্মিক মৃ-ত্যু-তে গভীরভাবে শোকাহত আরজিকর মেডিকেল হাসপাতালের অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিৎসকরা। ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button