নিউজ

পড়ুয়াদের পড়ানোর নাম করে মগজ ধোলাই করে শিক্ষার্থীদের জ’ঙ্গি সংগঠনে নাম লেখাতেন মুশির্দাবাদের মাদ্রাসা শিক্ষক! গ্রে’ফ’তা’র নিয়ে এর হাতে!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-সেই ব্রিটিশ আমলের পর থেকে শাসন এবং আ-ক্র-ম-ণ চলছে ভারতের উপর । যদিও স্বাধীনতা সত্তর দশক পেরিয়ে এসেছি আমরা। তবুও কোথাও যেন কমেনি এই আ-ক্র-মণে-র রেস। মুম্বাই তাজ হোটেল তার নি-কৃ-ষ্ট উদাহরণ। জ-ঙ্গী হা-ম-লা-র ঘটনা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গেল সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গির উপদ্রব বেড়ে চলেছে। যা রীতিমতো চিন্তায় ফেলেছে বিশেষজ্ঞদের ।

আল-কায়েদার মতন জ-ঙ্গি-গোষ্ঠীর ঘাঁটি দিন দিন বেড়ে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের উপর । রীতিমত আ-ত-ঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারা। তবে এ এক অভিনব ঘটনা যার মাধ্যমে জ-ঙ্গি-তে নিযুক্ত করা হতো । মাদ্রাসা হল একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সাধারণত উর্দু আরবি ভাষা শিক্ষা দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু এই মাদ্রাসাতে শিক্ষার পাশাপাশি ছেলেদের মগজ ধোলাই করে যুক্ত করা হতো জঙ্গিগোষ্ঠী তে । এমনই এক চা-ঞ্চ-ল্যক-র তথ্য উঠে এল এন আই রিপোর্ট ।

NIA রিপোর্ট এ জানা গিয়েছে আব্দুল মোমিন মন্ডল পেশায় একজন মাদ্রাসা শিক্ষক । রাইপুর দারুর হুদা ইসলামিয়া মাদ্রাসার এই শিক্ষক দলের রিক্রুটার হিসেবে কাজ করতো!এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে যে আব্দুল মোমিন মন্ডল মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, মালদা থেকে বেশ কিছু ছেলেকে জ-ঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করেছিল।

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত আব্দুল। ঠিক কতজনকে আব্দুল নিয়োগ করেছিল তা এখন খতিয়ে দেখা হবে।ফেসবুকে আব্দুল মোমিন মন্ডলের একটি প্রোফাইল পাওয়া গিয়েছে সেটিও এনআইএ খতিয়ে দেখবে সেখান থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায় কিনা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন আগে এনআইএ আল-কায়েদা গোষ্ঠীর সাথে যুক্ত মোট ৯ জনকে গ্রে-ফ-তা-র করেছিল যাদের মধ্যে ৬ জন ছিল মুর্শিদাবাদের এবং তিনজন ছিল কেরালার । সম্প্রতি সেই ঘটনাটি সেই সময়ে ব্যাপক চা-ঞ্চ-ল্য ছড়িয়ে ছিল । তার সাথে সাথে পশ্চিমবঙ্গে প্রশাসনের উপর উঠেছিল প্রশ্ন । তবে সম্প্রতি আরও একবার এই ধরনের ঘটনা রীতিমতো ভাবিয়ে তুলছে রাজ্যবাসীকে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button