নিউজ

সমুদ্র সৈকতে যেখানে ভাড়ায় মেলে নিঃসঙ্গ নারী সঙ্গী, পূরণ করে আপনার সমস্ত কামনা-বাসনা!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-সারাদিনের বা সারা মাসের কর্মব্যস্ততার ফলে আমাদের প্রত্যেকেরই কমবেশি সজলের একটু-আধটু সকাল ঘরের বাইরে বেরুবার ইচ্ছা জাগে। সেই সূত্রে খুজে ফিরি অজানা এক পথের সন্ধানে। কখনো পাহাড় কখনো সমুদ্র কখনো বা অন্য কোন জায়গা একা নিরিবিলি সময় কাটাতে পারি দি আমরা ।

তবে কখনো কখনো এই একাকীত্বই হয়ে ওঠে কাল । এবং এই একাকীত্ব দূর করতে মাঝে মাঝে এমন কিছু অনৈতিক কাজ কর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ে মানুষজন যা তারা নিজেও টের পায় না ।বিভিন্ন শহরে এসকর্ট সার্ভিসের কথা আমরা এর আগে বহুবার শুনেছি । এখানে সাধারণত টাকা পয়সার বিনিময়ে পাওয়া যায় মেয়েদের ভাড়া ।

বিভিন্ন হোটেলে এই ধরনের ব্যবস্থা থেকে থাকে । এবং এই ব্যবস্থা শহরের দেশের প্রতিটি আনাচে-কানাচে বর্তমান যুগে ছড়িয়ে আছে । একটু চোখ কান খোলা রাখলেই দেখতে পাওয়া যাবে । এউ এস্কোট মহিলাদের কিন্তু এবার সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছে। তাদের এই ব্যবসা সেখানে টাকা কামাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এবং এটি রীতিমত একটি নৈতিক কাজ। এবং এই অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে রোজ কত কত মানুষ ।

সমুদ্রে স্নান করার সময় নারী ভাড়া করার ব্যবস্থা কথা উঠে আসে সম্প্রতি কক্সবাজারে। বাংলাদেশের এই কক্সবাজার পর্যটন শিল্পের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয়। কিন্তু সেখানে উঠে এসেছে বেআইনি কাজ কর্মের অ-ভি-যো-গ । এবং মূলত সেই সব কাজের সাথে যুক্ত মেয়েরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এই ধরনের কাজকর্ম করে থাকে বলে জানা গিয়েছে । দিন দিন বেড়ে চলেছে এইসব কাজকর্মের চাহিদা।

পর্যটকদের বিভিন্ন টাইপের অনৈতিক এবং বেআইনি চাহিদা পূরণে মা-দ-ক কিংবা অনৈতিককর্মীদের নিয়ে কাজ করা মানুষের কমতি কক্সবাজারে।সম্প্রতি কক্সবাজারের একদল পর্যটক আইনশৃংখলা বাহিনীকে জানিয়েছেন, সমুদ্র স্নানের সময় টাকার বিনিময়ে নারীসঙ্গী ভাড়া পাওয়ার বিষয়টি।পুলিশকে তারা জানায়, ইনানি বিচে গোসলের সময় তাদেরকে তিন জন লোক বেশ কয়েকবার করে নারী সঙ্গী ভাড়া নেওয়ার জন্য বি রক্তিকর প্রস্তাব রাখে।

ওই সময় দশ পনের হাত দূরে দুইজন নারীও স্নান করছিলেন। তাদেরকেই স্নানের সময় ঘন্টা হিসেবে ভাড়া নেওয়ার জন্য প্রস্তাব রাখে দালালেরা। এই বিষয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে যায় পর্যটকরা এবং তারা ওই দালালকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় যদিও পরবর্তীকালে জানা গিয়েছে যে সেই দালাল পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে গেছে তবে এই ধরনের ঘটনা একান্ত কাম্য নয় পর্যটন কেন্দ্রে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button