নিউজভিডিও

‘বাপের বাড়ি’ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে বাবা মাকে কাঁদিয়ে ‘শ্বশুর বাড়ির’ পথে রওনা দিলো একরত্তি মেয়ে, তুমুল ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-আমাদের ছোটবেলা কেটেছে আনন্দ হৈ-হুল্লোড়ে। কারণ তখন ছিল না এত আধুনিকতা। ছিলনা মুঠোফোন । এখনকার প্রজন্ম ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা নিজেদের শৈশব কে উপলব্ধি করতে পারে না তার কারণ ছোটবেলা থেকে তাদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় বড়োসড়ো একটি স্মার্টফোন। যার মধ্যে মুখ গুঁজে কেটে যায় তাদের শৈশব বেলা । শৈশবের আনন্দ থেকে যায় তাদের কাছে অধরা।

ছোটবেলাতে আমরা দেখেছি ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন খেলার মাধ্যমে নিজেদের শৈশবকে উপভোগ করে থাকেন । কখনো রান্নাবাটি কখনো আবার লুকোচুরি কখনো অন্যান্য নতুন খেলার মাধ্যমে নিজেদের কে খুঁজে নেয়। উপভোগ করে অমূল্য সময়কালকে। ঠিক তেমনি একটু বড় হলেই সেই সমস্ত ছেলে মেয়েরা বর বউ বা সংসারের যাবতীয় খেলাতে মেতে ওঠে।

যদিও আমাদের ছোটবেলার সময়ে সেই সমস্ত ঘটনাবলি খুব স্বাভাবিক ছিল । কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের এগুলি আর তেমনভাবে দেখতে না পাওয়ায় এগুলি এখন হয়ে উঠেছে অসামান্য । যা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কখনো কখনো আমাদের সামনে উঠে এলে মনে করিয়ে দেয় আমাদের শৈশবকাল।

ঠিক সম্প্রতি একটি ফেসবুকে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখানো হয়েছে একরত্তির একটি মেয়ে একটি ব্যাগের মধ্যে টাকা-পয়সা গয়নাগাটি নিয়ে রওনা দিয়েছে শ্বশুরবাড়ি উদ্দেশ্যে । কার্যত লকডাউন এর জন্য আমরা প্রত্যেকেই গৃহবন্দি তার সাথে সাথে গৃহবন্দি ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়েরা। যাদের এই মুহূর্তে বাইরে খেলাধুলা করার বয়স কাজেই বাইরের পরিবেশ তাদেরকে হাতছানি দিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

যদিও ভিডিওটির ক্যামেরাবন্দি করেছেন তার বাবা এবং তার বাবা সেই মেয়েকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে এই দুপুর বেলা নয় অন্য কোন সময় যাবে শ্বশুর বাড়ি। কিন্তু তিনি সেই ছোট্ট মেয়ে মানতে একদমই নারাজ। যেনতেন প্রকারে তাকে খুলে দিতে হবে দরজা সে যাবে শ্বশুরবাড়ি ।

ভাগ্যের পরিহাস এমনই যে সেই ছোট্ট মেয়েটি জানে না হয়তো যে বড় হয়ে থাকে সত্যিই যেতে হবে শ্বশুর বাড়ি একদিন বাড়ির বাবা মা ,বাকি সকল কে কাঁদিয়ে । ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াতে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে এবং নজর কেড়েছে নেটদুনিয়া নেটিজেনদের। তার সাথে সাথে এসেছে বেশ মজার মজার মন্তব্য।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button