নিউজভিডিও

বিমান সেবিকাদের গো’প’ন কিছু কথা ও তথ্য, যা হয়তো অনেক সাধারণ মানুষ জানেনা, রইলো ভিডিও সহ!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-আজকালকার দিনে দুরপাল্লার রাস্তা সহজেই খুব ছোট হয়ে আসে বিমান এর মাধ্যমে।
এই বিমান পরিষেবার সাথে যুক্ত অনেকরকম এর মানুষজন থাকেন।এর মধ্যে অন্যতম বিমান সেবিকা বা এয়ার হোস্টেস।এনারা বিমান চলাকালীন,যাত্রীদের প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট পরিসেবা গুলি দিয়ে থাকেন।প্রত্যেকটি যাত্রীর খেয়াল রাখা,জল থেকে শুরু করে খাবার সরবরাহ,অসুস্থ যাত্রীর দেখাশোনা প্রভৃতি এনাদের দায়িত্ব।

তবে এতকিছু সুবিধা দেওয়া সত্ত্বেও অনেকেই জানেন না,বিমান চলাচল করার সময় এমন অনেক আশ্চর্য্যকর ঘটনা ঘটে, যার অর্থ আমরা কেউই জানিনা।

১.বিমান চলার সময় হঠাৎ করে বিমানে বিভিন্ন ধরনের টুংটাং শব্দে বেজে ওঠে।আপনি ধারণাও করতে পারবেন না এই টুংটাং শব্দ অনেক রকমের অর্থ থাকে। এরকম কোড ল্যাংগুয়েজটা শব্দের মাধ্যমে পাইলট তার কেবিন ক্রু মেম্বারস এর সাথে যোগাযোগ বজায় রাখেন।এরকম করলেন ব্যস বজায় রাখার একটাই অর্থ আমরা বুঝতে পারি যাতে তাদের গোপনীয় কথা বার্তা শুনে নিয়ে যাত্রীরা কোন রকম চিন্তা ভাবনা বা আশঙ্কায় না পড়ে যান।

এখন শব্দের মানে গুলো জেনে নেওয়া যাক। যদি ওই ধরনের টুং টাং আওয়াজ দুবার শোনা যায় তাহলে বুঝতে হবে প্লেন ১০০০০ ফুটের উপর দিয়ে যাচ্ছে।যদিও রকম আওয়াজ তিনবার শোনা যায় তাহলে আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে প্লেনে ঝাঁকুনি লাগতে পারে। শুধু তাই নয়, শুধুমাত্র ঝুঁকিপূর্ণ কোন কাজ নয়। পাইলটদের নিজস্ব কোন দরকার জরুরি কাজ থাকলেও তারা এভাবে মেম্বারদের সঙ্গে কথা বলেন।

২. কোন কারণে বিমান চলাকালীন কোন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে মারা গেলে, নতুন অন্য যাত্রীদের মধ্যে আ-ত-ঙ্ক ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য এয়ার হোস্টেস বিমানসেবিকা দের কিছু আলাদা ভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয়।যেমন তাদের বলা হয়ে থাকে কোন সময় এরকম অবস্থা দেখা দিলে যাতে তারা সেই মৃত ব্যক্তিকে অতিরিক্ত চাদর দিয়ে ভালো করে সিট বেল্ট বেঁধে ঢেকে দেন। যাতে তার আশে পাশে বসা যাত্রীরা এটা বুঝতে না পারেন যে তাঁর সহযাত্রী টি মারা গেছে।

৩. এছাড়াও কতগুলো সাধারণ জিনিস যা বিমান যাত্রীদের জেনে নেওয়া উচিত সেগুলি হল-

বিমান চলাকালীন বিমান যদি কোন রকম সমস্যার মুখোমুখি হয় তাহলে যাত্রীদের সুরক্ষার লাইফ জ্যাকেট এবং অক্সিজেন মাক্স দেওয়া থাকে।প্রত্যেক যাত্রীর উচিত বিমান চালু হওয়ার আগেই তার জন্য নির্ধারিত রাখা এই প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো ঠিকঠাক দেখে নেওয়া।কারণ হঠাৎ কোনো বি-প-দে-র সম্মুখীন হলে জাতির কাছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় থাকবে এগুলি ব্যবহার করার।

এগো জেনে নেয়া যাক বিমানের কোন বসার জায়গা গুলি সবথেকে বেশি।আপনি যদি ভেবে থাকেন বিমানের first-class সবথেকে বেশি সুরক্ষিত তবে জানিয়ে দেয়া যাক আপনি সম্পূর্ণ ভুল। কারণ গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেন যে বিমান ক্র্যাশ হলে, সবথেকে বেশি ক্ষ-তি-গ্রস্ত হয় এ ফার্স্ট ক্লাসের বসার জায়গা গুলি।সুরক্ষিত বলতে আমরা এখানে বলতে পারি বিমানের দরজার সামনের সিট গুলি।

এছাড়া আপনি কি জানেন যে বিমানের বাথরুমে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকে তবুও চাইলে আপনি একটু বাইরে থেকে খুলতে পারেন এবং বিমানের কেবিন ক্রু মেম্বার সহ তাদের জন্য একটি সম্পূর্ণ আলাদা শোয়ার জায়গা থাকে বা রেস্ট করা জায়গা থাকে যা সম্পূর্ণ সাধারণ যাত্রীদের চোখের বাইরে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button