নিউজ

জেলে থেকেও সুস্থির নেই! এই 29 দিন জেলে থেকে এই কাজ করেছেন রিয়া, ফাঁ’স করলেন রিয়ার আইনজীবী!

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন:-সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ-ত্যু-কে ঘিরে এই কয়েকদিন বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ছিল বেশ উত্তপ্ত পরিবেশ । তবে কিছুটা হলেও কমেছে ফরেনসিক বিভাগের রিপোর্ট পেশ করার পর । ফরেনসিক বিভাগের রিপোর্ট জানাচ্ছে যে সুশান্তের মৃ-ত্যু একটি সাধারণ আ-ত্ম-হ-ত্যা কোনো পরিকল্পনা মাফিক খু-ন নয় ।

Advertisement

কিন্তু এই সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ-ত্যু কে ঘিরে যখন বলিউড পরিবেশ উত্তপ্ত হয়েছিল তখন উঠে এসেছিল স্বজনপোষণ এবং ড্রা-গস কানেকশন এর মতন কথা। এর ফলে জুড়তে থাকে একের পর এক তারকা এবং পরিচালকদের নাম ।এই মামলার তদ-ন্তে-র দায়িত্ব পান সিবিআই। এবং এই মামলার ত-দ-ন্ত করতে গিয়ে উঠে আসে ড্রা-গ-স কানেকশন এর মতন কথা ।

Advertisement

এই ড্রা-গ-স কানেকশন এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার দরুন দেশের নারকোটিস বিভাগ গ্রে-প্তা-র করে সুশান্ত সিং রাজপুত এর বান্ধবি রিয়া চক্রবর্তী কে। এবং তার পর থেকে তিনি থাকেন বিচারাধীন হেফাজতে । তবে নরম পালঙ্কে প্রতিদিন পিজা বার্গার খেয়ে বড় হওয়ার রিয়া কেমন করে কাটাচ্ছেন দিন জেলের ভেতরে? তা জানার জন্য উদগ্রীব অনেকেই । এই মুহূর্তে সেটা জানাতে চলেছি আপনাদের ।

Advertisement

দীর্ঘ ২৯ দিন পর জেল থেকে মুক্তি পেলেন সুশান্ত সিং রাজপুতের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী । এবং জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরই তার বিচারক জানালেন যে এতদিন কিভাবে জেলে থাকতেন তিনি । কেমন ভাবে কাটত তাঁর দিনগুলি ।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর উকিল দাবি করেন, ‘বহু বছর বাদে আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জেলে কোনও মক্কেলের সঙ্গে দেখা করতে গেলাম। নিজের চোখে রিয়া কেমন আছে সঙ্গে সেটা দেখতে জেলে দেখা করতে যেতাম।

Advertisement

কিন্তু সবথেকে ভাল লাগতো রিয়া সবসময় পজিটিভ থাকতেন নিজের খেয়াল রাখতেন। নিজেকে জেলের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে জেলের খাবার খেতেন। জেলের বাকিদের মত করেই দিন কাটাতে তিনি। ছোট থেকেই সেনা বাহিনীর পরিবেশে বড় হয়ে ওঠার কারণে যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা করে লড়াই করার ক্ষ-ম-তা রিয়ার আছে।

Advertisement

রিয়া জেলে নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে রোজ যোগা করতেন । শুধু নিজে না জেলের অন্যান্য আবাসিকদের জন্যে নিয়মিত যোগাসনের ক্লাস নিতেন’।তবে রিয়া জামিনে মুক্তি পেলেও হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ত-দ-ন্ত-কারী অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না। এর পাশাপাশি প্রতি দশ দিন অন্তর অন্তর তাকে থানায় হাজিরা দিতে হবে ।

Advertisement

Advertisement

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button