নিউজ

বাংলার মুকুটে জুড়লো নয়া পালক, কন্যাশ্রী ও সবুজ সাথীর জেরে স্কুলছুট নিয়ে জাতীয় সমীক্ষায় প্রথম স্থান পেলো বাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদন:-কথাতে আছে “বাংলার গর্ব মমতা” যদিও এটি একটি রাজনৈতিক স্লোগান । তবুও বাস্তব জীবনে কোথাও যেন এই স্লোগানে হুবহু প্রতিচ্ছবি দেখা গেছে সম্প্রতি । ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে অনবরত ভেবে চলেছেন রাজ্যের জন্য।

ভেবে চলেছেন রাজ্যবাসীর সমস্ত মানুষদের সুবিধার কথা। তার সাথে সাথে তিনি দিনরাত ভেবে চলেছেন এই রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ পড়ুয়া দের নিয়ে। কেউ যেন শিক্ষার আলো থেকে দূরে না থাকে সে চেষ্টা করেছেন তিনি অনবর। ত দীর্ঘ সময় ধরে এই চেষ্টার ফলে অবশেষে মিলছে ফল হাতেনাতে। বাংলা কে তিনি দাঁড় করিয়েছেন বিশ্বদরবারে। করেছে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ ।

রাজনৈতিক মতাদর্শের মতভেদ থাকলেও বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন বিভিন্ন সময়। তার কারণ তার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে। কারণ তিনি এই রাজ্যে স্কুলপড়ুয়াদের জন্য যে সমস্ত অভিনব উদ্যোগ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সবুজসাথী থেকে শুরু করে কন্যাশ্রী যুবশ্রী প্রকল্পের সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার অনেকটাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে এ রাজ্যের স্কুল পড়ুয়ারা।

বেশ কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রীর সবুজসাথী এবং উৎকর্ষ বাংলা বিশ্বদরবারে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছিল । বাংলাকে নিয়ে গিয়েছিল বিশ্বদরবারে প্রথম সারিতে। আরো একবার মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রী প্রমাণ করলো যে এখনো পর্যন্ত সরকার মানুষের কথা ভাবে ,মানুষের সাথে থাকে। মাটির সাথে মিশে থাকা এই সরকারের স্লোগান তাই” মা মাটি মানুষ “।

সম্প্রতি বেসরকারি সংস্থা থেকে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয় যে রিপোর্ট অনুসারে বলা হয় যে আগের তুলনায় স্কুলছুট পড়ুয়ার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে এবং এর কারণ মূলত মুখ্যমন্ত্রীর নেওয়া সবুজ সাথী ও কন্যা শ্রী । রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের স্কুল ছুট পড়ুয়ার সংখ্যা ৩.৩ শতাংশ থেকে কমে ১.৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

অর্থাৎ স্কুলের প্রতি এখন ছাত্র ছাত্রীদের আগ্রহ আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। এর আগে দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা অর্থের অভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারতেন না। মুখ্যমন্ত্রী তাদের কথা ভেবে এবং তাদের উচ্চ শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে “কন্যাশ্রী” প্রকল্পের উদ্ভাবন করেন।

বেসরকারি সংস্থা সূত্রে খবর, ২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সালের মেয়াদে দেশের ২৬টি রাজ্যের ৫৮৪টি জেলার ১৬ হাজারের কিছু বেশি গ্রামের মধ্যে ৫২ হাজারেরও বেশি পরিবারের উপর সমীক্ষা চালিয়ে এই রিপোর্ট পেশ করেছে তারা। যেখানে স্কুলছুট পড়ুয়ার সংখ্যা হ্রাসের নিরিখে বেশ এগিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ । অতএব মুখ্যমন্ত্রীর নেওয়া সিদ্ধান্ত আরো একবার প্রমাণ করলো বাংলা পিছিয়ে যেতে শেখেনি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button