নিউজ

ভরা জঙ্গলের মাঝে মা কালিই একমাত্র রক্ষাকর্তা, সমস্ত বি’পদ থেকে গ্রামবাসীকে রক্ষা করেন মা!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-আমাদের ভারতবর্ষে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের দেশ । তা সত্ত্বেও এখনো বেশ কিছু মানুষ ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না । তবে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে এমন বেশ কিছু অলৌকিক ঘটনা শোনা যায় যা শুনলে আপনিও ঈশ্বরে বিশ্বাসী হয়ে উঠবেন । যদিও এসব ঘটনাগুলি পৌরাণিক গ্রন্থ এ উল্লেখ আছে এবং তার সাথে যুক্ত আছে সেখানকার স্থানীয় দের ভিন্ন মতামত। তবুও কোথাও যেন বাস্তবে ছোঁয়া লেগেছে এসবের গল্প এ ।

সিউড়ি জেলা দু’নম্বর ব্লক প্রবন্ধ পুরের একটি গ্রামে নিম্বাসিনী কালীমাতা কথা এই মুহূর্তে আপনাদের সামনে বলতে চলেছি যা কিনা অত্যন্ত জাগ্রত বলে মনে করা হয় । কথিত আছে যে কয়েক শতাব্দী আগে অষ্টাবক্র মুনি মা অন্নপূর্ণাকে সঙ্গে নিয়ে কাশি থেকে বক্রেশ্বরের দিকে যাচ্ছিলেন বক্রেশ্বর নদী ধরে।

অষ্টাবক্র মুনির উদ্দেশ্য ছিল বক্রেশ্বরে মাকে প্রতিষ্ঠিত করার। কিন্তু এই যাওয়ার পথে বর্তমান পুরন্দরপুর বেহিরা গ্রামে নৌকা আটকে যায় জলের অভাবে।ওই সময় আবার ওই গ্রামে তপস্যা করছিলেন ভরদ্বাজ মুনি। আর সেই মুনির আহ্বানে দেবী অন্নপূর্ণা কালী রূপে বসে যান একটি নিমগাছের তলায়। তারপর তিনি সেখানেই প্রতিষ্ঠিত হলেন, নাম হল নিম্নবাসিনী কালী। আর এই কালী মায়ের নিত্যসেবা শুরু করলেন ভরদ্বাজ মুনি। এখন সে ঐতিহ্যবাহী নিমগাছটি মন্দিরে পিছন দিকে অবস্থান করছে।

প্রতিবছর ত্রয়োদশীর দিন এই কালি মা কে ঘিরে চলতে থাকে নানান রকমের পূজার্চনা। তার পাশাপাশি গ্রামজুড়ে বসে বিশাল এক মেলা বসে । জঙ্গলে ঘেরা এই গ্রামে নেই কোন বাইরে কোলাহল। কত জানা অজানা গাছ এর সমাহার সেখানে । তারই মধ্যে অবস্থান করছে এই মন্দিরটি ।

তবে এই কালীমাতার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো যে দুর্গাপুজোর সময় দুর্গা, কালী পূজার সময় তিনি কালী এবং অন্য পুজোর সময় অন্নপূর্ণা রূপ ধারণ করেন । তাই ত্রিয়োদসীর চলতে থাকে মায়ের পূজা । স্থানীয়দের মতামত অনুসারে যদি কেউ মায়ের সামনে তার মনের বাসনা একবার মুখ ফুটে বলে তাহলে তা পূরণ হয় খুব শিগ্রি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button