জেলানিউজপলিটিক্স

“আমাকে মারধরের সময় 10 মিটার দূরেই দাঁড়িয়ে ছিল মমতার পুলিশ, বাঁচায়নি আমায় ওনারা”- জানালেন শমীক ভট্টাচার্য!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-সামনে একুশের ভোট । বিধানসভা ভোট কেন্দ্র করে বলাবাহুল্য মাথায় রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে এখন উত্তপ্ত পরিবেশ । কোথাও যেন করোনা পরিস্থিতি ধামাচাপা পড়ে গেছে । মানুষের মনে আগের মতন আর ভয় নেই । ফলস্বরূপ বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে জমায়েত সভা ,মিটিং, মিছিল ইত্যাদি । কখনো কখনো স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং সামাজিক দূরত্ব দেখা গেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে না এই স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সামাজিক দূরত্ব । কিন্তু জারি রয়েছে লড়াই।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ভোটের কথা মাথায় রেখে এখন বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে দলীয় সভা বা পথসভা। ঠিক সেরকমই মঙ্গলবার দিন এক সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য । কিন্তু মাঝপথে আটকে দেওয়া হয় তার গাড়ি । চলে ভাঙচুর । এরকম ই অভিযোগ এনেছেন তিনি ।

দলীয় সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় এই ঘটনা। বিজেপি নেতার গাড়িতে হামলা, নিগ্রহের অভিযোগ আসে । এই ঘটনার নিন্দা করে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু জানান, প্রত্যেকদিন পশ্চিমবঙ্গের অরাজক অবস্থা সামনে চলে আসছে। হাথরস কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী পথে হাঁটতে পারেন কিন্তু মণীশ শুক্ল বা আজকের এই ঘটনা নিয়ে তাঁকে কিছু বলতে শোনা যায়নি। গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ বলে জানান সায়ন্তন বসু।

তবে এ ব্যাপারে কি বলেছেন শমিক ভট্টাচার্য ? তা জানাবো আপনাদের । তিনি জানিয়েছেন , “আমি এক দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। ফাঁকা মাঠ, কোথাও কোনও জনপ্রাণী নেই। হঠাৎ দেখলাম শ দেড়েক লোক জমায়েত করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমেই প্রধানমন্ত্রীর নামে অশ্লীল ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ। এবং কথা শুরু হওয়ার আগেই মারধর চালু। ১০ মিটার দূরেই দাঁড়িয়ে একটা পুলিশ ভ্যান। তাকে একটা বাচ্চা ছেলে গিয়ে যখন বলল বাঁচান, ভ্যানটা চলে গেল।”

তার পরেই বুধবার তাকে দেখতে তার বাড়িতে যান বিজেপি নেতা মুকুল রায় এবং অরবিন্দ মেনন । তার প্রতি এই হামলা মোটেও ভালো চোখে দেখছে না গেরুয়া শিবির । তবে এখনো পর্যন্ত শাসক দলের পক্ষ থেকে এর বিপক্ষে কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া মেলেনি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button