নিউজ

বেকসুর খালাস আডবাণী, যোশী । ২৮ বছর পর বাবরী মসজিদ মামলার হলো সুনানি

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন:- বাবরি মসজিদের কথা আমরা সকলে জানি। শতাব্দীপ্রাচীন এই মসজিদটি উত্তরপ্রদেশে লখনৌ তে অবস্থিত । কিন্তু এই মসজিদকে ঘিরে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে চলছিল মা-ম-লা । কেন না শোনা যায় ১৯৯২ সালে বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী মুরলীমনোহর জোশী, কল্যান সিং,উমা ভারতী-সহ ৩২ জন বাবরি মসজিদ ধ্বং-সের জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন। চলছিল মামলা তবে দীর্ঘ ২৮ বছর পর এই মা-ম-লা সমাপ্তি ঘটল ।

Advertisement

বাবরি মসজিদের এই মা-ম-লা-য় রায় দিলেন উত্তরপ্রদেশ লক্ষ্নৌ সিবিআই বিশেষ আদালতের বিচারপতি সুরেন্দ্রকুমার। তিনি বলেন শতাব্দীপ্রাচীন এই বাবরি মসজিদ ধ্বং-স একটি অনিচ্ছাকৃত ছিল । কাজেই এই বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সাথে যুক্ত লালকৃষ্ণ আদভানি এবং বাকি ৩২ জনকে বেকসুর খালাস করা হলো । যদিও এই রায় এ অখুশি মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডে। এর পাশাপাশি তারা জানান সুবিচারের জন্য তার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন। কি ঘটেছিল সংক্ষেপে বলব আপনাদের।

Advertisement

অভি-যোগ ছিল ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর শতাব্দী প্রাচীন বাবরি মসজিদ ধ্বং-স করতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা আডবানি, যোশী, উমা ভারতী-সহ অন্যরা। করসেবকদের নানাভাবে উসকানি দিয়ে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর শতাব্দীপ্রাচীন বাবরি মসজিদ ধ্বং-স করতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা আদবানী, যোশি, উমা ভারতী-সহ অন্যরা।মূলত তাঁদের প্ররোচনাতেই সেদিন মসজিদে তা-ণ্ড-ব চালায় করসেবকরা, এমনই অভি-যোগ ওঠে।

Advertisement

যদিও পরবর্তী সময়ে একাধিকবার বাবরি মসজিদ ধ্বং-সে তাঁদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশীরা।দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে চলে এর মা-ম-লা এবং অবশেষে মেলে রায় ।বাবরি মা-ম-লা-য় ৩৫১ জনকে সাক্ষী হিসেবে তুলে ধরে সিবিআই। মসজিদ ধ্বং-সে প্রাথমিকভাবে অভি-যুক্ত ৪৮ জনের মধ্যে ১৬ জনের ইতিমধ্যেই মৃ-ত্যু হয়েছে। সেই কারণেই বুধবার মাম-লার রায়দানে ৩২ জনকে আদালতে সশরীরে হাজির থাকতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক।

Advertisement

তবে ঐদিন উপস্থিত থাকতে পারেননি লালকৃষ্ণ আডবাণী তার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিল ভিডিও কলের মাধ্যমে । কোরোনা তে আ-ক্রা-ন্ত হওয়ায় কারণে উপস্থিত থাকতে পারেনি উমা ভারতি ও । তবে আদালত এর এই রায়ে মোটেও খুশি নন মুসলিম সম্প্রদায় এর মানুষ জন । এমনটাই জানা যাচ্ছে ।

Advertisement

Advertisement

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button