নিউজ

পূত্রবধু হয়েও ‘বিদ্রোহী কবি’ কাজী নজরুলকে মায়ের স্নেহে আগলে রেখেছিলেন যিনি!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ২৫ সে মে ১৮৯৯ সালে রার বাংলায় বর্তমানে পশ্চিম বর্ধমানের চুলুরিয়া যে বাঙালি কবি এপার বাংলা ওপার বাংলা এক করেছিলেন শুধুমাত্র তার লেখনীর মাধ্যমে তার নাম কাজী নজরুল ইসলাম । শুধুমাত্র এপার বাংলা ওপার বাংলা কে একত্রিত নয় বরং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বি-রু-দ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি শুধুমাত্র তার লেখনীর মাধ্যমে । মানুষের মনে জাতীয়তাবাদের ঝড় তুলেছিলেন তার কলমের সাহায্যে । তার কাছ থেকে প্রথম ধারণা পাওয়া যায় যে একটি তরোয়াল এর থেকে একটি কলম অধিক গুনে ধারালো। এবং তিনি সেটা প্রমাণ করেন ।

বাংলা এবং বাঙালির মনে জাতীয়তাবাদের ঝড় তুলেছিলেন এই বাঙালি কবি । তিনি শুধুমাত্র কবি নয় তার পাশে পাশে সাহিত্যিক সঙ্গীতশিল্পী এখনো পর্যন্ত এদেশে কাজী নজরুল ইসলামের রচিত বিভিন্ন সংগীত শিল্পী নজরুল গীতি নামে পরিচিত। তবে তার শেষ জীবন কেটেছে খুবই কষ্টের মাধ্যমে ।

সে কষ্ট মানসিক না হলে শারীরিক তো বটেই। শিশুসুলভ আচরণ করতেন শেষ বয়সে এসে তিনি। তবে তাকে পুরো মায়ের মতন স্নেহ ও যত্ন আগলে রেখে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করেছিলেন যিনি তিনি আর কেউ নন ঊমা মুখোপাধ্যায়। কে এই উমা মুখোপাধ্যায়?

পিতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর মেয়ে উমা মুখোপাধ্যায় সেবিকার কাজে বহুদিন আগে থেকেই নিযুক্ত । সেই সূত্রে কবির দেখাশোনার দায়িত্ব তিনি পান এবং তিনি যখন কবির বাড়িতে আসেন তখন কবির স্ত্রী তাকে বলেন তুমি পারবে? একদমই শিশুর মতন আচরন করছে । দেখোনা কেমন খবরের কাগজ ছিড়ছে” । প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন আমরা শিশু বিভাগের সাথে যুক্ত, যদি শিশুদের মতো আচরণ করে তাহলে অবশ্যই পারবো।

পরবর্তীকালে এই উমা মুখোপাধ্যায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পুত্র সব্যসাচী ইসলামের স্ত্রী হন এবং তিনি হয়ে ওঠেন নজরুল পরিবারের পুত্রবধূ । একজন হিন্দু ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়ে মুসলিম ছেলেকে বিবাহ করেন । তার পাশাপাশি তিনি কাজী নজরুল ইসলামকে একেবারে সযত্নে আগলে রেখেছিলেন তিনি । তার সেবায় নিজেকে নিযুক্ত করেছিলেন বিনাশর্তে ।। কবির যাবতীয় কাজ নিজের হাতে তিনি সম্পূর্ণ করতেন সেই সময় থেকে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button