নিউজভিডিও

এই মল মাসে ভুলেও এই পাঁচটি জিনিস কাউকে দেবেন না, দিলে শেষ হয়ে যেতে পারে আপনার পরিবার!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-শাস্ত্রের মতে এই মাসে দুটি আমাবস্যা পড়ে যাওয়াতে এই মাসটিকে মল মাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । এবং শাস্ত্র মতে কোন শুভকাজ মল মাসে করা উচিত না। তাই এ বছরের পুজো পিছিয়ে গেছে অনেকটাই । কারণ মল মাসে কোন পুজো হয় না । এর পাশাপাশি এমন কিছু জিনিস আছে যেগুলি অন্য কাউকে দান করলে আপনার জীবনে আসতে পারে ঘোর অন্ধকার । কাজেই সমস্ত জিনিস গুলো সম্পর্কে আপনার জেনে রাখা দরকার । আজ আপনাদের সামনে সেই সমস্ত জিনিস গুলি কথা বলতে চলেছি কাউকে ভুলেও দেবেন না ।

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন বেশ কিছু জিনিস প্রতিবেশী থেকে নিয়ে থাকে সেটি কোন খাবার হতে পারে বা ঘর গোছানো সামগ্রী ও হতে পারে । কিন্তু শাস্ত্র মতে এই মল মাসে বেশ কয়েকটি জিনিস নেওয়া যাবে না বা দেওয়া যাবে না যেমন ।

১) ঝাড়ু :- এই মল মাসে আপনার বাড়ির ঝাড়ু কাউকে ব্যবহার করতে দেবেন না । এতে মা লক্ষ্মী অসন্তুষ্ট হন এবং ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে। তার পাশাপাশি পরিবারে আসতে পারে নেতিবাচক শক্তি। ফলে পরিবারে অশান্তি বেঁধে যেতে পারে।

২)স্টিলের বাসন:- আমরা আমাদের বাড়িতে খাবার দাবার বা অন্যান্য কাজের জন্য স্টিলের বাসন ব্যবহার করে থাকি । কিন্তু শাস্ত্রীর মতে এই মল মাসে স্টিলের বাসন প্রতিবেশী বা অন্য কাউকে দেবেন না । এতে পরিবারের অমঙ্গল হতে পারে । নেমে আসতে পারে দুর্যোগ।

৩)বাড়ি রান্নার জন্য যে তেল ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ সরষের তেল বা সাদা তেল সেই তেল প্রতিবেশী বা অন্য কাউকে এই মল মাসে ভুল করে দিতে যাবেন না।

৪) সিন্দুর::- নিজের ব্যবহৃত সিন্দুর এই মল মাসে অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেবেন না এতে স্বামীর অমঙ্গল হতে পারে ।

৫)ধারালো কোনো জিনিস :- যদি আপনি আপনার পরিবারকে কালোছায়া থেকে মুক্ত করতে চান তাহলে এই মল মাসে ধারালো জিনিস যেমন ছুরি-কাঁচি ইত্যাদি কাউকে ব্যবহার করতে দেবেন না ।

৬)যদি এই মল মাসে সূর্যাস্তের পর কোন প্রতিবেশী আপনার কাছ থেকে দুধ বা দুই জাতীয় কিছু জিনিস চাইতে আসে তা ভুলেও দেবেন না । কারণ এতে মনে করা হয় এর ফলে বাড়ির পজিটিভ শক্তি সেটি নষ্ট হয়ে যায় ।এবং পরিবারে নেমে আসে অশান্তি ।

এই মুহূর্তে আপনাদের সামনে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরলাম যার দ্বারা আপনার উপকৃত হবেন। এবং নিজের পরিবারকে সচেতন রাখতে পারবেন ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button