নিউজ

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বড় পরিবর্তন আনলো সরকার, বাইক ও স্কুটি চালকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন :-বর্তমান প্রজন্মের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে বাইক বা গাড়ি আছে । এই বাইক গাড়ি কেনার আগ্রহ দিন দিন বেড়ে চলেছে নতুন প্রজন্মের মধ্যে। তার সাথে সাথে কোথাও জন্য এটা একটা বিলাসিতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গাড়ি বা বাইক দরকারি কাজে লাগেলেও কোন কোন ক্ষেত্রে এটি বিলাসিতা কারণ হয় । আমরা বাইক গাড়ি নিয়ে বহু দূর অব্দি যেতে পারি কিন্তু অবশ্যই সাথে রাখতে হবে গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ।তা না হলে মাঝরাস্তায় পড়তে হতে পারে সমস্যায় এবং পড়তে হতে পারে নয় রীতিমতো সমস্যায় পড়েন বহু যাত্রী ।

Advertisement

শুধুমাত্র গাড়ি নিয়ে কোথাও বেমালুম হারিয়ে গেলাম এমনটা হলে কিন্তু চলবে না ।তার পাশাপাশি আপনাকে গাড়ি সমস্ত কাগজপত্র রাখা দরকার। নইলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে থাকতে পারেন। এর পাশাপাশি গাড়ি চেকিং এর সময় পুলিশের সাথে অবাঞ্চিত ঝামেলা বা তর্কের মধ্যে জড়িয়ে যায় বহু গাড়িচালক। মূলত সেই সমস্ত সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার নতুন ভাবে একটি নিয়ম করেছে ।বলাবাহুল্য পুরনো নিয়মকে সংশোধন করেছে ।

Advertisement

সম্প্রতি মোটর ভেহিকল রুলস ১৯৮৯-তে সংশোধন এনেছে সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রক। এই নিয়ম অনুসারে বলা হয়েছিল কোন গাড়ির চালককে আর আগের মতন সাথে করে গাড়ির কাগজপত্র বহন করার চিন্তা রাখতে হবে না। তার পাশাপাশি রাখতে হবে না ড্রাইভিং লাইসেন্স ।সমস্ত প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে পারে একটি সফটওয়্যার এবং অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ।

Advertisement

পুলিশ কর্মীদের কাছে একটি বিশেষ সফটওয়ার থাকবে যেখানে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ইনপুট করলেই সেই গাড়ি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নিমিষের মধ্যে ভেসে উঠবে স্মার্টফোনে ।শুধুমাত্র তাই নয় এর পাশাপাশি কখন কোন সময় কোন পুলিশকর্মী আপনার গাড়ি চেক করেছে তা উল্লেখ থাকবে সেই বিশেষ অ্যাপ্লিকেশনে ।কার্যত পুলিশের সঙ্গে অবাঞ্ছিত এবং অন্যান্য যাবতীয় সমস্যা এড়িয়ে চলার জন্য এই ধরনের সিদ্ধান্ত করা হয়েছে । তবে এর পাশাপাশি আরো একবার নতুন সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার ।

Advertisement

এই নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে বলা হচ্ছে শুধুমাত্র গাড়ির কাগজপত্র না রাখলেই মিলবেনা মুক্তি এর পাশাপাশি চেকিং এর সময় যদি কোন গাড়ির চালক পুলিশকর্মীর সাথে দূর ব্যবহার বা খারাপ ব্যবহার করেন তাহলে তার বাতিল হয়ে যেতে পারে ড্রাইভিং লাইসেন্স।

Advertisement

সেই সূত্র ধরেই আরও জানানো হয়েছে, চেকিংয়ের সময় কেউ যদি ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন, তা হলে চালান কাটার পাশপাশি বাতিল হতে পারে চালকের লাইসেন্সও। এমনকি গাড়ি না থামালে বা ট্রাকলোডিং এলাকায় গাড়িতে চড়লে বা চালালেও সংশ্লিষ্ট চালকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পরিস্থিতি বিশেষে বাতিল হয়ে যেতে পারে তাঁর লাইসেন্স। এ ধরনের সিদ্ধান্ত কে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছে তবে কিছু কিছু গাড়ি চালকের ক্ষেত্রে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে ।

Advertisement

Advertisement

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button