নিউজ

হিন্দু ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ অমিতাভের, দা’য়ে’র করা হলো এ’ফ’আ’ই’আ’র, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-আমাদের এই সমাজে মাঝে মাঝে এমন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে যা নিতান্তই কাম্য নয়। কিন্তু সেই সমস্ত ঘটনা ঘটার পিছনে মূল কারণ হলো ধর্ম। এর আগেও আমরা জানিয়েছি যে ধর্ম যা আমাদের কিছু ধারণ করতে শেখায়। সেটি কখনো কাউকে আ-ঘা-ত হানতে বা কারো প্রাণ কেড়ে নিতে শেখায় না কোন ধর্ম । যে কথা ভগবৎ গিতাতে লেখা সে কথায় লেখা আছে কোরানে এবং সে একই কথা লেখা আছে বাইবেলে । অর্থাৎ বক্তব্য এক কিন্তু ধর্মগ্রন্থ আলাদা হয়ে থাকে ।

এই ধর্ম কে ঘিরে এই দেশের বুকে ঘটেছে অনেক ঘটনা । তবে সম্প্রতি আরও একটি ঘটনা ঘটল যা রীতিমতো চা-ঞ্চ-ল্য ছড়িয়েছে নেটদুনিয়া । তার পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে তাদের সক্রিয়তাকে নিয়ে আমি এই মুহূর্তে কোন বনেগা ক্রোড়পতি এবং তার সঞ্চালক অমিতাভ বচ্চনের কথা বলতে চলেছি ।

সম্প্রতি কোন বানেগা ক্রোরপতি সিজন টুয়েলভ এ এমন এক ধরনের প্রশ্ন করা হয় যেখানে নাকি হিন্দু ধর্মের প্রতি অপসংস্কৃতি ছড়ানো হয়েছে এমনটাই অ-ভি-যো-গ দাবি করেন দর্শকরা । এবং সেই মতো তারা লখনৌ এর একটি পুলিশ স্টেশনে কন বানেগা ক্রোড়পতি এবং অমিতাভ বচ্চনের বি-রু-দ্ধে এ-ফ-আ-ই-আর দা-য়ে-র করেন ।

শুক্রবার তিনি ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার প্রশ্নে জানতে চান, ১৯২৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর ডাঃ বি আর আম্বেদকর এবং তাঁর অনুগামীরা কোন ধর্মগ্রন্থের অনুলিপি পুড়িয়েছিলেন?উত্তর ছিল (ক) বিষ্ণু পুরাণ (খ) ভগবদ গীতা, (গ) ঋক বেদ (ডি) মনুষ্মৃতি । প্রশ্নের সঠিক উত্তর মনুষ্মৃতি। সঠিক উত্তর জানানোর পর অমিতাভ বচ্চন হিন্দিতে বলেন, ধর্মভেদ মুছতেই বাবাসাহেব এই বিশেষ ধর্মগ্রন্থ পুড়িয়েছিলেন।

পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী এই পর্বের একটি ক্লিপিংস শেয়ার করে লিখেছেন, “কেবিসি এভাবেই সংস্কৃতির বি-রু-দ্ধে অপসংস্কৃতি ছড়াচ্ছে। একেই বলে কোডিং।” অমিতাভ বচ্চনের সেই বক্তব্যের পর শুরু হয়ে যায় শোরগোল । উ-ত্ত-প্ত হতে থাকে নেটদুনিয়া এবং যার পরিপ্রেক্ষিতে অমিতাভ বচ্চন এবং কন বানেগা ক্রোড়পতির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে অনেকে । এর পাশাপাশি নেটিজেনরা টুইটারে তার অনুষ্ঠান বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছে সকলকে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button