নিউজপলিটিক্স

অমিত শাহের রাজ্য ঢোকার পরপরই বড় ধাক্কা খেলো গেরুয়া শিবির, বিজেপিতে একযোগে সহ সভাপতি-বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তিনদিনের বাংলা সফরে তার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বারংবার তৃণমূল সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিমন্তব্য আসছিলই। কিন্তু এবার মমতা সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধীদের জন্য বড় ধাক্কা এলো। ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ধাক্কা কতটা প্রভাব ফেলবে বিরোধীদের ওপর, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

এদিন কংগ্রেস ও বিজেপি পক্ষের একঝাঁক নেতৃত্ব যোগদান করেন তৃণমূলে।কংগ্রেসের বিধায়ক কাজি আবদুল রহিম যোগদান করলেন তৃণমূলে। কাজি আবদুল রহিম বাদুড়িয়ার বিধায়ক। ঘাসফুল শিবিরে যোগ দান করে কাজি আবদুল রহিম বলেন, “বাংলাকে একমাত্র বাঁচাতে পারে মমতা সরকারই।”তিনি আরো বলেন,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং বাংলা সুরক্ষা বজায় রাখার জন্য তৃণমূল সরকারের পাশে থাকাই উচিত বাংলার মানুষের। বিজেপির বি-রু-দ্ধে সোচ্চার হতে চাইলে,আপনারাও আসুন।

এছাড়াও বিজেপির মহিলা মোর্চার সহ সভাপতি মৌমিতা বসু চক্রবর্তীও এদিন যোগ দেন তৃণমূলে।একইসঙ্গে আজ তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন সাংসদ রাধিকারঞ্জন প্রামাণিকের পুত্র শান্ত্বনু প্রামাণিকও।এদিন একদল প্রাক্তন পুলিসকর্তাও তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন আইজিপি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সরোজ গজমির, সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপঙ্কর চক্রবর্তী আরো অনেকেই। বোঝাই যাচ্ছে তৃণমূল সংগঠন এই দলবদল এর পরিপ্রেক্ষিতে কতটা মজবুত হলো।

এদিন এই দলবদলের প্রসঙ্গে,তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে বাংলাকে এক রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।আর তাই বিজেপির বি-রুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে উঠেই সবাই তৃণমূলে যোগদান করছেন।”

” দুশো আসনের গল্প করে বাংলায় মাটি পাওয়া যায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার জন‍্য লড়াই করছেন। বাংলাকে যেভাবে অর্থনৈতিকভাবে অবরোধ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন”এও জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এর বামেদের দলে আনার কথায় ‘ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে পড়ল’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button