নিউজ

গাড়ির নিয়মে শীঘ্রই আসছে বড় বদল, পাল্টে গেলো এই নিয়ম, মাথায় হাত কয়েক লক্ষ চালকের!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-বর্তমান প্রজন্ম আমরা যত উন্নত হচ্ছি তত উন্নত হচ্ছে আমাদের চারিপাশে । তার পাশে পাশে উন্নত হচ্ছে আমাদের ব্যবহারের জিনিসপত্রগুলি । এই ব্যবহারে জিনিসের নাম উল্লেখ করতে গেলে যে জিনিসটির নাম উল্লেখ করলেই নয় সেটি হলো গাড়ি ।

এখনকার দিনে উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত গাড়ি প্রায় প্রতিটি বাড়িতে কমেছে গাড়ির দাম আগের তুলনায়। ফলে নতুন গাড়ি কেনা সম্ভব হয়ে উঠেছে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের । পেট্রোল এবং ডিজেলের চালিত গাড়ি গুলোর পাশাপাশি বাজারে এসেছে ইলেকট্রিক গাড়ি।যা অনেকটাই সাশ্রয়কারী । মানুষের চাহিদা বেড়ে চলেছে এই সমস্ত গাড়ির প্রতি । কিন্তু আপনি কি জানেন যে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বেকার হতে চলেছে প্রায় কয়েক কোটি মানুষ ।

গাড়ি মেরামতি কাজের সাথে যুক্ত মিস্ত্রিরা তাদের জীবনের অর্ধেকটা সময় গ্যারেজে কাটিয়ে দেয় । মাঝেমাঝে ডাক পড়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে। তার পাশাপাশি গ্যারেজ ভর্তি গাড়ি সারতে সারতে কেটে যায় দিন । কিন্তু এক সমীক্ষা জানাচ্ছে যে খুব শিগগিরই কয়েক বছরের মধ্যেই বেকার হতে চলেছে সমস্ত গ্যারেজের মিস্ত্রী এবং মালিকা। নেমে আসতে চলেছে তাদের জীবনে অন্ধকার এরূপ কেন তা জানাবো আপনাদের ।

এখনকার উন্নত প্রযুক্তির গাড়িতে মূলত দুটি সার্কিট থাকে ই সিএবং পিসি যা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে গাড়িকে । এই ইসিএবং পিসি খারাপ হয়ে গেলে তা মেরামত করানো যাবে না স্থানীয় মিস্ত্রিদের দিয়ে । কার্যত গাড়ির মালিককে ছুটতে হয় সেই গাড়ির সার্ভিস সেন্টারে। ফলে এটি এক প্রকার ক্ষতির মুখে পড়ে গাড়ি মেরামতি মিস্ত্রিরা। কারণ তাদের কাছে খুব অল্প পরিমাণে বিদ্যা আছে এবং অটোমোবাইল নিয়ে পড়াশোনা করার মত সামর্থ্য তাদের নেই । কার্যত উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত ব্যবস্থা সম্পর্কে তারা অজ্ঞাত। এ অবস্থায় তাদের হাত-পা বাঁধা ।

দক্ষিণ কলকাতার  কামালগাজির কাছে ছোটো গাড়ির – দুই পপুলার মিস্ত্রী,শম্ভু পারাল ও দ্বীপ মাইতি।শম্ভুর কথায়, আস্তে আস্তে ব্যাটারি চালিত গাড়ি বাজারে আসছে।সেই গাড়ি গুলি বেশির ভাগ অটোমেটিক সার্কিট বোর্ডের মাধ্যমে চলে। ‘ আমরা অল্প শিক্ষিত।ছোটবেলায় গ্রামের বাড়িতে অভাবের তাড়নায় পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে,আনোয়ার শাহ রোডের কাছে গ্যারেজে কাজ শেখার জন্য যোগ দিয়েছিলাম।সেখান থেকে হতে নাতে শেখা।

তখন এত আধুনিক গাড়ি ছিল না।এই সব গাড়ি বের করলে,আমাদের হাতে নাতে ট্রেনিং না দিলে সারাতে পারব না।তাতে মানুষের হেনস্তা বাড়বে। এর পাশাপাশি আমরা জানি যে পশ্চিমবঙ্গে রাস্তাঘাট এর কি বে-হা-ল অবস্থা । ফলে গাড়ি খারাপ বা ক্ষ-তি-গ্র-স্ত হবে এমনটা খুব স্বাভাবিক সেই প্রসঙ্গে দ্বীপ তুলে ধরেন এক বি-স্ফো-র-ক মন্তব্য ।

দ্বীপের কথায় ‘ এখনকার গাড়িতে আগের মত কারবোরেডার নেই, এখন একটা হাউজিংয়ের মধ্যে সব রয়েছে।যার ফলে রাস্তাতে গাড়ি আর দমকা দিয়ে দাঁড়িয়ে যায় না।যার ফলে আমাদের খোঁজ আর পড়েনা।’ এটি যে শুধুমাত্র দ্বীপের কথা তা কিন্তু নয় তার সাথে সাথে এই দেশের সমস্ত গ্যারেজ মালিক এবং মিস্ত্রিদের কথা এই ধরনের তথ্য সামনে আশাতে রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়েছেন দেশের কোটি কোটি গ্যারেজ মিস্ত্রি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button